
বিশেষ প্রতিনিধি :-শরীফ আহমেদ:
বরিশাল জেলার মুলাদী উপজেলায় ০২ নং নাজিরপুর ইউনিয়নের পশ্চিম নাজিরপুর গ্রামের বাসিন্দা মৃত হাবিবুর রহমান। সূত্র মতে জানা যায় হাবিবুর রহমান সেনাবাহিনীর কর্মরত থাকা অবস্থায় ডেমরা থানাধীন ডেমরা বামৈল দক্ষিণপাড়া জমি ক্রয় করে বাড়ি নির্মাণ করে স্ত্রীর শাহানারা বেগম ও দুই সন্তান হাসান হাবীব সাগর ও মহুয়া আক্তার মুন্নিসহ বসবাস করতেন। সেনা কর্মকর্তা হাবিবুর রহমানের মৃত্যুর পরে বাড়িসহ জমি জমা ভাই বোনের মধ্য ভাগ বাটোয়ারা হয়নি। দুই বছর আগে সৌদি আরব হজে গিয়ে মারা যান সেনা কর্মকর্তার স্ত্রী শাহানারা বেগম।
সূত্র মতে আরো জানা গেছে গত ২২-৭-২০২৫ ইং তারিখ ২ নং নাজিরপুর ইউনিয়ন পরিষদ হইতে ভুয়া সনদ তৈরি করে কুমিল্লার ডাচ-বাংলা ব্যাংকে কর্মরত সেনা কর্মকর্তার শ্যালক মোহাম্মদ সাদরুল আলম। উক্ত ভুয়া সনদ সরকারি কমিশনার ভূমি ডেমরা রাজস্ব সার্কেলে জমা দিয়ে হাবিবুর রহমানের আংশিক জমি খারিজ করে নেয়। উক্ত বিষয়ে খোঁজ পেয়ে মৃত সেনা কর্মকর্তার দুই সন্তান এক পর্যায়ে ওই জমির খারিজ বাতিল করার জন্য ২৩-১২-২০২৫ ইং তারিখে একটি আবেদন করেন। উক্ত ভুয়া ওয়ারিশ সনদ প্রত্যাহার করেন ২ নং নাজিরপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান। ভুয়া ওয়ারিশ সনদ বাতিল হওয়াতে দিশেহারা হয়ে এক পর্যায়ে গত ১৯-১-২৫ ইং তারিখ পুনরায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ৬৬ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর কার্যালয় ওয়ারিশ সনদের জন্য আবেদন করেন সাদরুল আলম।
এ বিষয়ে ব্যাংক কর্মকর্তা সাদরুল আলম এর সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন মরহুম সেনা কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান আমার বোন জামাই। আমার বোন শাহানারা বেগম যেহেতু আমার মায়ের আগে মারা গিয়েছে এজন্য আইন অনুযায়ী মায়ের আগে সন্তান মারা গেলে মা সেই সন্তানের জমি জমার ভাগ পায় এজন্য আমি ওয়ারিশ সার্টিফিকেটের জন্য আবেদন করেছি। আমার ভাগিনা ও ভাগিনীর সম্পত্তি দখল করার কোনো ইচ্ছে আমার নেই।
এ বিষয়ে ৬৬ নং ওয়ার্ড সচিব মিল্লাত হোসাইন এর সাথে সরাসরি যোগাযোগ করলে তিনি বলেন ব্যাংক কর্মকর্তা সাদরুল আলম আমার কাছে ওয়ারিশ সার্টিফিকেটের জন্য আবেদন করেছে। আমার কাছে বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় আমার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ বিষয়ে তদন্ত করে সিদ্ধান্ত দিবেন।